কাবা শরিফ
আল্লাহর ঘর — পৃথিবীর প্রথম ইবাদতের ঘর, সারা বিশ্বের মুসলমানের কিবলা।
কাবা আল্লাহর ঘর। কুরআন বলছে, মানুষের জন্য বানানো প্রথম ঘর এটিই।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত
অভিজ্ঞ মুয়াল্লিমের সাথে ৪৪টি ঐতিহাসিক জায়গা ঘুরে দেখবেন — কোথায় কী ঘটেছিল, কী করবেন, সব বুঝিয়ে বলা হবে।
আল্লাহর ঘর — পৃথিবীর প্রথম ইবাদতের ঘর, সারা বিশ্বের মুসলমানের কিবলা।
কাবা আল্লাহর ঘর। কুরআন বলছে, মানুষের জন্য বানানো প্রথম ঘর এটিই।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়কাবার কোণে বসানো জান্নাতি কালো পাথর — তাওয়াফ এখান থেকে শুরু।
কাবার পূর্ব কোণে রুপালি ফ্রেমে বসানো কালো পাথর। প্রতিটি চক্কর এখান থেকে শুরু হয়, এখানেই শেষ হয়।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়যে পাথরে দাঁড়িয়ে ইবরাহীম (আ.) কাবা বানিয়েছিলেন।
কাবা বানানোর সময় দেয়াল উঁচু হয়ে গেলে ইসমাঈল (আ.) একটি পাথর এনে দেন। ইবরাহীম (আ.) তার ওপর দাঁড়িয়ে দেয়াল তোলেন (সহিহ বুখারি ৩৩৬৪)।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়হাতিম — অর্ধচন্দ্রাকার দেয়ালঘেরা জায়গা, আসলে কাবারই অংশ।
কাবার উত্তর পাশে নিচু অর্ধচন্দ্রাকার দেয়াল দিয়ে ঘেরা জায়গা। এটি আসলে কাবারই অংশ।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়মা হাজেরা ও শিশু ইসমাঈলের জন্য আল্লাহর দেওয়া বরকতময় পানি।
আল্লাহর আদেশে ইবরাহীম (আ.) স্ত্রী হাজেরা আর শিশু ইসমাঈলকে এই শুকনো, জনমানবহীন উপত্যকায় রেখে যান।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়সাঈ শুরুর পাহাড় — মা হাজেরার দৌড় আর নবীজির প্রথম প্রকাশ্য দাওয়াতের জায়গা।
শিশু ইসমাঈলের জন্য পানি খুঁজতে মা হাজেরা এই সাফা পাহাড়ে উঠে চারদিকে তাকাতেন, তারপর নেমে মারওয়ার দিকে দৌড়াতেন — এভাবে সাতবার। তাঁর সেই দৌড়ের স্মরণে...
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়সাঈর অন্য প্রান্ত — সপ্তম চক্কর এখানে শেষ হয়।
সাফা থেকে মারওয়া পর্যন্ত যাওয়া এক চক্কর, মারওয়া থেকে সাফায় ফেরা আরেক চক্কর। সপ্তম চক্কর মারওয়ায় এসে শেষ হয়।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়মক্কার সবচেয়ে উঁচু ভবন — হারিয়ে গেলে দিক চেনার সহজ চিহ্ন।
হারামের দক্ষিণ পাশে বিশাল ঘড়িওয়ালা টাওয়ার (আবরাজ আল-বাইত)। নিচে বড় মার্কেট আর অনেক হোটেল।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়ক্লক টাওয়ারের সামনের প্রধান গেট (গেট ১)।
হারামের দক্ষিণ দিকের সবচেয়ে বড় ও পরিচিত প্রবেশপথ, ক্লক টাওয়ারের ঠিক সামনে।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়পশ্চিম পাশের বড় প্রবেশপথ (গেট ৭৯)।
হারামের পশ্চিম দিকের বড় গেট। অনেক গ্রুপ এই গেটকে মিটিং পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়মক্কার পুরনো কবরস্থান — উম্মুল মু'মিনীন খাদিজা (রা.)-এর কবর।
মক্কার সবচেয়ে পুরনো কবরস্থান। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী নবী ﷺ-এর প্রথম স্ত্রী খাদিজা (রা.) এখানে শায়িত।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়তানঈম — মক্কা থেকে আবার উমরাহ করতে এখান থেকে ইহরাম বাঁধা হয়।
বিদায় হজ্জে আয়েশা (রা.) অসুস্থতার কারণে আলাদা করে উমরাহ করতে পারেননি। নবী ﷺ তাঁর ভাই আবদুর রহমান (রা.)-কে বললেন তাঁকে তানঈমে নিয়ে যেতে। সেখান থেকে...
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়জাবালে নূর — হেরা গুহায় প্রথম ওহি "ইকরা" নাজিল হয়।
নবুয়তের আগে নবী ﷺ এই পাহাড়ের চূড়ার কাছে ছোট একটি গুহায় (হেরা) একা কয়েক দিন ধরে ইবাদত করতেন।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়মসজিদুল হারামের পাশেই — এখানেই রাসুলুল্লাহ ﷺ জন্মগ্রহণ করেন।
মসজিদুল হারামের পূর্ব পাশে, সুক আল-লাইল এলাকায় — হারাম থেকে হেঁটে কয়েক মিনিট। এখানেই আমিনা (রা.)-এর ঘরে রাসুলুল্লাহ ﷺ জন্মগ্রহণ করেন।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়যেখানে জিনদের একটি দল কুরআন শুনে ইমান এনেছিল।
জান্নাতুল মুআল্লার কাছে, মসজিদুল হারাম রোডের পাশে ছোট এই মসজিদ।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়হারামের পূর্ব পাশের পাহাড় — চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার ঘটনার সাথে যুক্ত।
মসজিদুল হারামের একদম পূর্ব পাশে উঁচু পাহাড়টিই আবু কুবাইস। মাতাফ থেকে সাফার দিকে তাকালে চোখে পড়ে।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়হিজরতের সময় নবী ﷺ ও আবু বকর (রা.) যে গুহায় তিন দিন ছিলেন।
মক্কার দক্ষিণে, হারাম থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার। পাহাড়টি খাড়া — চূড়ার গুহায় পৌঁছাতে দেড়-দুই ঘণ্টা হাঁটতে হয়।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়হজ্জের তাঁবুর শহর — এখানে থেকে কংকর মারা হয়।
হজ্জের সময় হাজিরা ৮ জিলহজ্জ থেকে এখানে তাঁবুতে থাকেন। ১০ থেকে ১২ বা ১৩ জিলহজ্জ এখানে থেকে জামারাতে কংকর মারা হয়।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়তিনটি জামরা — শয়তানের বিরুদ্ধে কংকর নিক্ষেপের জায়গা।
এখানে তিনটি স্তম্ভ — ছোট, মাঝারি আর বড় (জামরাতুল আকাবা)। হজ্জে হাজিরা এখানে সাতটি করে কংকর মারেন।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়আরাফাতের পর খোলা আকাশের নিচে রাত কাটানোর জায়গা।
৯ জিলহজ্জ সূর্যাস্তের পর হাজিরা আরাফাত থেকে এখানে আসেন। মাগরিব আর এশা একসাথে পড়েন, খোলা আকাশের নিচে রাত কাটান আর জামারাতের জন্য কংকর কুড়ান।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়হজ্জের মূল দিন — "হজ্জ হলো আরাফা"।
৯ জিলহজ্জ দুপুর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান হজ্জের সবচেয়ে বড় রুকন — এটা ছুটে গেলে হজ্জ হয় না।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়আরাফার ময়দানের ছোট পাহাড় — বিদায় হজের ভাষণের এলাকা।
আরাফার ময়দানের মাঝখানে ছোট পাহাড়টির নাম জাবালে রহমত। ৯ জিলহজ হাজিরা এর চারপাশে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া করেন।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়আরাফার দিনে খুতবা এবং জোহর-আসর একসাথে পড়া হয় এখানে।
আরাফার পশ্চিম প্রান্তে বিশাল এই মসজিদে ৯ জিলহজ ইমাম খুতবা দেন, তারপর জোহর ও আসর একসাথে কসর করে পড়া হয়।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়মিনার প্রধান মসজিদ — জামারাতের কাছেই।
মিনার বড় এই মসজিদটি জামারাতের পাশে। হজের দিনগুলোতে মিনায় অবস্থানকালে হাজিরা এখানে নামাজ পড়েন।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়মুজদালিফায় ফজরের পর যেখানে দাঁড়িয়ে দোয়া করা হয়।
মুজদালিফার এই মসজিদটিই মাশআরুল হারাম। ৯ জিলহজের রাত মুজদালিফায় কাটিয়ে ফজর পড়ে এখানে কিবলামুখী হয়ে ফর্সা হওয়া পর্যন্ত দোয়া করা সুন্নত।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়আকাবার বাইআত — আনসাররা এখানে নবী ﷺ-এর হাতে বাইআত করেন।
মিনায় জামারাতের কাছে ছোট এই মসজিদ। হিজরতের আগে মদিনা থেকে আসা আনসাররা হজের মৌসুমে এখানে গোপনে নবী ﷺ-এর হাতে বাইআত করেন — ইতিহাসে যা "আকাবার বাইআত" না...
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়
নবী ﷺ-এর নিজ হাতে গড়া মসজিদ — এক নামাজ হাজার নামাজের চেয়ে উত্তম।
হিজরত করে মদিনায় এসে নবী ﷺ সাহাবিদের সাথে নিজ হাতে এই মসজিদ বানান (১ হিজরি)। জায়গাটি ছিল দুই এতিম ছেলের — নবীজি দাম দিয়ে তা কিনে নেন।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়
নবী ﷺ-এর রওজা — আর রিয়াদুল জান্নাহ, জান্নাতের বাগান।
সবুজ গম্বুজের নিচে ছিল আয়েশা (রা.)-এর ঘর। সেখানেই নবী ﷺ শায়িত, পাশে আবু বকর (রা.) ও উমর (রা.)।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়জান্নাতুল বাকি — হাজারো সাহাবির কবরস্থান।
মদিনার প্রধান কবরস্থান, মসজিদে নববীর পূর্ব পাশে।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়
ইসলামের প্রথম মসজিদ — এখানে দুই রাকাত নামাজে এক উমরাহর সওয়াব।
হিজরতের সময় মদিনায় পৌঁছার আগে নবী ﷺ কুবায় কয়েক দিন থাকেন এবং এই মসজিদ বানান — ইসলামে প্রথম বানানো মসজিদ।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়
উহুদ যুদ্ধের ময়দান — হামজা (রা.)-সহ ৭০ জন শহীদের কবর।
৩ হিজরিতে এই পাহাড়ের পাদদেশে উহুদের যুদ্ধ হয়।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়দুই কিবলার মসজিদ — কিবলা পরিবর্তনের স্মৃতি।
হিজরতের পর প্রায় ১৬-১৭ মাস মুসলমানরা বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে ফিরে নামাজ পড়তেন। নবী ﷺ মনে মনে কাবার দিকে ফেরার আশা করতেন।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়যেখানে নবী ﷺ ঈদের নামাজ ও বৃষ্টির নামাজ পড়েছেন।
মসজিদে নববীর দক্ষিণ-পশ্চিমে, হেঁটে পাঁচ মিনিট। সেই সময় এটি ছিল খোলা ময়দান — নবী ﷺ এখানে ঈদের নামাজ পড়তেন।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়গামামার পাশেই আবু বকর (রা.)-এর নামের ছোট মসজিদ।
মসজিদে গামামার পাশেই আবু বকর (রা.)-এর নামের ছোট মসজিদ। বর্ণনা অনুযায়ী খলিফা হওয়ার পর তিনি এই এলাকায় ঈদের নামাজ পড়াতেন।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়খন্দকের যুদ্ধের ময়দান — পরিখা খোঁড়ার জায়গায় ছোট ছোট মসজিদ।
৫ হিজরিতে কুরাইশ ও তাদের মিত্ররা দশ হাজার সৈন্য নিয়ে মদিনা ঘেরাও করতে আসে। সালমান ফারসি (রা.)-এর পরামর্শে নবী ﷺ ও সাহাবিরা শহরের খোলা দিকে বিশাল পরিখ...
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়হিজরতের পর নবী ﷺ-এর প্রথম জুমার নামাজের জায়গা।
হিজরতের সময় কুবায় কয়েক দিন থেকে নবী ﷺ শুক্রবার সকালে মদিনার দিকে রওনা দেন। বনু সালিম ইবনে আউফ গোত্রের এলাকায় জুমার সময় হয়ে গেলে তিনি সেখানেই প্র...
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়আজওয়া খেজুর কেনার জায়গা — মসজিদে নববীর কাছেই।
মদিনার খেজুর, বিশেষ করে আজওয়া, নবী ﷺ-এর হাদিসে বিশেষভাবে এসেছে। মসজিদে নববীর দক্ষিণ-পূর্বে বড় খেজুর মার্কেট আছে — শত রকমের খেজুর, দাম দেখে-চেখে কেনা...
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়মিম্বর ও রওজার মাঝের অংশ — নবী ﷺ বলেছেন, এটি জান্নাতের বাগানগুলোর একটি।
মসজিদে নববীর ভেতরে, নবী ﷺ-এর ঘর (রওজা) ও মিম্বরের মধ্যবর্তী অংশ। সাদা কার্পেট দিয়ে আলাদা করা — বাকি মসজিদে লাল কার্পেট।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়মদিনা থেকে উমরাহর ইহরাম বাঁধার মিকাত (আবইয়ার আলী)।
মদিনা থেকে মক্কার পথে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে যুল হুলাইফা — স্থানীয়ভাবে আবইয়ার আলী, আর মসজিদটি মসজিদে শাজারা নামে পরিচিত।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়খন্দকের ময়দানে সালা পাহাড়ের পাশে — "সাত মসজিদের" প্রধানটি।
সালা পাহাড়ের পাদদেশে, খন্দকের যুদ্ধের ময়দানে। বর্ণনা অনুযায়ী নবী ﷺ খন্দকের কঠিন দিনগুলোতে এখানে দোয়া করেছিলেন এবং আল্লাহ সেই দোয়া কবুল করেন — তাই...
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়যাঁর পরামর্শে খন্দক খোঁড়া হয়েছিল, সেই সাহাবির নামের মসজিদ।
সাত মসজিদের একটি, মসজিদে ফাতাহর পাশেই। সালমান ফারসি (রা.) ফারস (বর্তমান ইরান) থেকে সত্যের খোঁজে বেরিয়ে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে মদিনায় আসেন, ইসলাম গ্রহণ করে...
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়মসজিদে নববীর পশ্চিম পাশে উমর (রা.)-এর নামের ছোট মসজিদ।
মসজিদে গামামা ও আবু বকর (রা.)-এর মসজিদের আশেপাশেই এই ছোট মসজিদটি। পরের যুগে দ্বিতীয় খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর স্মরণে বানানো।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়বাব আস-সালামের পাশে আলী (রা.)-এর নামের মসজিদ।
মসজিদে নববীর পশ্চিম পাশে, গামামার আশেপাশের মসজিদগুলোর একটি — চতুর্থ খলিফা আলী ইবনে আবি তালিব (রা.)-এর স্মরণে।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়নবী ﷺ-এর মুয়াজ্জিন বিলাল (রা.)-এর নামের মসজিদ।
মসজিদে নববীর দক্ষিণ দিকে, কুরবান এলাকায়। নবী ﷺ-এর মুয়াজ্জিন বিলাল ইবনে রাবাহ (রা.)-এর স্মরণে নামকরণ করা।
বিস্তারিত, হাদিস ও করণীয়প্রতিটি জায়গার ঘটনা, সহিহ হাদিস, করণীয় ও মানচিত্র — ইন্টারনেট ছাড়াও চলবে।