হিজরতের পর নবী ﷺ-এর প্রথম জুমার নামাজের জায়গা।
- কোথায়
- কুবা থেকে মদিনার পথে, রানুনা উপত্যকায় (মসজিদে নববী থেকে প্রায় ২.৫ কিমি)
- কী ঘটেছিল
- নবী ﷺ-এর পড়ানো প্রথম জুমুআ
- আরেক নাম
- মসজিদে বনি সালিম / মসজিদে আতিকা
১ পথের মাঝে প্রথম জুমুআ
কুবায় চৌদ্দ দিন থাকার পর শুক্রবার সকালে নবী ﷺ মদিনার মূল অংশের দিকে রওনা হলেন। পথে বনু সালিম ইবনে আওফ গোত্রের এলাকায় রানুনা উপত্যকায় পৌঁছাতেই জুমুআর সময় হয়ে গেল।
সেখানে প্রায় একশো সাহাবিকে নিয়ে তিনি জীবনের প্রথম জুমুআর নামাজ পড়ালেন এবং প্রথম জুমুআর খুতবা দিলেন (সীরাত ইবনে হিশাম)। সেই জায়গায় আজকের মসজিদে জুমুআ।
২ সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন
নবী ﷺ বলেছেন: সূর্য ওঠে এমন দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন জুমুআর দিন — এ দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে, এ দিনেই সেখান থেকে বের করা হয়েছে; আর কিয়ামতও হবে জুমুআর দিনে (সহিহ মুসলিম ৮৫৪)।
📜 পূর্ণ হাদিস
হাদিসগুলো সম্পূর্ণ দেওয়া হয়েছে — কোনো অংশ বাদ দেওয়া হয়নি। প্রতিটির নিচে আরবি মূল পাঠও আছে।
হাদিস ১ · সহিহ মুসলিম, হাদিস ৮৫৪
জুমুআর দিনের মর্যাদা
মূল কথা: সূর্য ওঠা দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন জুমুআ।
আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমুআর দিন সর্বোত্তম। এ দিন আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন তাকে জান্নাতে দাখিল করা হয়েছে এবং এ দিন তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেয়া হয়।
আরবি মূল পাঠ দেখুন ▼আরবি মূল পাঠ লুকান ▲
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجُ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خَيْرُ يَوْمٍ طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ أُدْخِلَ الْجَنَّةَ وَفِيهِ أُخْرِجَ مِنْهَا " .
— সহিহ মুসলিম, হাদিস ৮৫৪
✅ জিয়ারতের আদব ও টিপস
- •কুবা থেকে মসজিদে নববীতে ফেরার পথে থামা যায়; ওয়াক্ত থাকলে নামাজ পড়ে নিন।
- •শুক্রবার মদিনায় থাকলে জুমুআ মসজিদে নববীতেই পড়ুন — অনেক আগে পৌঁছান।
হাদিসের বাংলা অনুবাদ প্রচলিত বাংলা অনুবাদ থেকে নেওয়া, আরবি মূল পাঠসহ; হাদিস নম্বর আন্তর্জাতিক প্রচলিত নম্বর অনুযায়ী। ঐতিহাসিক বিবরণ সহিহ হাদিস ও সীরাত গ্রন্থ অনুসারে — যেখানে বর্ণনা দুর্বল বা মতভেদপূর্ণ, সেখানে তা উল্লেখ করা হয়েছে।